Norris Dutch GP-তে দুই জয়; শুরু থেকে সহজ ছিল না। McLaren ড্রাইভার জানান শনিবার স্প্রিন্টে খারাপ পারফরম্যান্সের পর ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে রাতভর রিভিউ ও সেটআপ বদলই রেসের দ্বিতীয়ার্ধে পরিচিত অনুভূতি ফেরায়—শেষে Antonelli পরাজিত।

পোল থেকে শুরু করেও আবার গ্রিপ সমস্যা। Verstappen প্রথম ল্যাপে ক্র্যাশে রেড ফ্ল্যাগের পর রিস্টার্টেও আদর্শ অবস্থা পাননি—শীঘ্রই Antonelli ওভারটেক করেন। পোল সাইডের গ্রিপ অন্য পাশের চেয়ে কম; টিমমেট Piastri আরও ভেজা ইনসাইড থেকেও আক্রমণাত্মক শুরু করতে পেরেছেন—কারণ বিশ্লেষণ দরকার।
সত্যিকারের মোড় হার্ড টায়ারে। McLaren দ্বিতীয় স্টিন্টে আরও আক্রমণাত্মক সেটআপ ও কৌশল নেয়; Norris আত্মবিশ্বাস ফেরান। টায়ার ভালো হলে Antonelli-র কাছে গিয়ে Mercedes-কে চাপ দেন। ৫৪তম ল্যাপে ছয় ল্যাপ নতুন টায়ারে টার্ন ১ আউটসাইড থেকে ওভারটেক করে লিড ফেরান।
Norris বলেন ফ্রন্ট-অ্যাক্সেল ফিডব্যাক ও রিয়ার স্থিতিশীলতা দুটোই চাহিদামতো হলে প্রতি বাঁক নিয়ন্ত্রণ হয়—তখনই জেতার ক্ষমতা জানা যায়। প্রথম স্টিন্টে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস না থাকায় পুরো শক্তি কাজে লাগেনি।
এ বদল আকস্মিক নয়। স্প্রিন্টে গাড়ির ছন্দে হতাশ—অনুভূতি কম। রাতে ড্রাইভিং, টায়ার ম্যানেজমেন্ট ও রেস কৌশল নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা।
রাতভর অ্যাডজাস্টমেন্ট ফল দেয়। খারাপ স্টার্ট ও প্রথমার্ধ বাদে হার্ড স্টিন্ট পুরো উইকএন্ড বদলে দেয়। গাড়ি সাড়া দিতে শুরু করলে গতি ফেরে এবং Antonelli ও Mercedes কৌশল বদলাতে বাধ্য হয়। Hungary ও Netherlands টানা জয় প্রমাণ করে ফলাফল শুধু গাড়ি নয়—ড্রাইভার কীভাবে গাড়ির সঙ্গে মিল খুঁজে পান।
স্থানীয় আইন, তথ্য শর্ত এবং নিজের বাজেট সীমা যাচাই করুন।
